ইন্টারনেটে কোন ফাইল ডাউনলোড করার সময় পিসি হঠাৎ বন্ধ গেলে পরবর্তীতে ঐ ফাইলটি নতুন করে ডাওনলোড করতে হয়।আবার অনেক সময় ডাওনলোডের গতি কমে যায়।মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা ’ডাউন দেম অল’ নামের একটি অ্যাডঅন প্রোগ্রামের সাহায্যে এরকম ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।এটি ফায়ারফক্সে ডাওনলোড ম্যানেজারের কাজ করবে। এই অ্যাডঅনটি নামিয়ে নিন ।এখন ফায়ারফক্স পুনরায় চালু করুন (রির্স্টাট)।এরপর থেকে কোন ফাইল ডাওনলোডে করতে গেলে DownThemAll! নামের একটি অপশন পাবেন। DownThemAll! অপশনে ক্লীক করে অ্যাডঅনটির সাহায্যে ডাওনলোডের কাজ করুন।এর ফলে ডাওনলোড চলাকালীন অবস্থায় হঠাৎ পিসি বন্ধ হয়ে গেলে পরবর্তীতে নতুন করে ঐ ফাইল ডাওনলোড করতে হবে না।পূর্বে যতটুকু ডাওনলোড হয়েছিলো ততটুকু থেকেই আবার ডাওনলোড শুরু হবে।এই প্রোগ্রামটি স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত গতিতে ডাওনলোড প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।এতে ডাওনলোড ম্যানেজারের সকল সুবিধা পাওয়া যাবে।
Monday, May 7, 2012
ফায়ারফক্সের ডাউনলোড ম্যানেজার
ইন্টারনেটে কোন ফাইল ডাউনলোড করার সময় পিসি হঠাৎ বন্ধ গেলে পরবর্তীতে ঐ ফাইলটি নতুন করে ডাওনলোড করতে হয়।আবার অনেক সময় ডাওনলোডের গতি কমে যায়।মজিলা ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা ’ডাউন দেম অল’ নামের একটি অ্যাডঅন প্রোগ্রামের সাহায্যে এরকম ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।এটি ফায়ারফক্সে ডাওনলোড ম্যানেজারের কাজ করবে। এই অ্যাডঅনটি নামিয়ে নিন ।এখন ফায়ারফক্স পুনরায় চালু করুন (রির্স্টাট)।এরপর থেকে কোন ফাইল ডাওনলোডে করতে গেলে DownThemAll! নামের একটি অপশন পাবেন। DownThemAll! অপশনে ক্লীক করে অ্যাডঅনটির সাহায্যে ডাওনলোডের কাজ করুন।এর ফলে ডাওনলোড চলাকালীন অবস্থায় হঠাৎ পিসি বন্ধ হয়ে গেলে পরবর্তীতে নতুন করে ঐ ফাইল ডাওনলোড করতে হবে না।পূর্বে যতটুকু ডাওনলোড হয়েছিলো ততটুকু থেকেই আবার ডাওনলোড শুরু হবে।এই প্রোগ্রামটি স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত গতিতে ডাওনলোড প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।এতে ডাওনলোড ম্যানেজারের সকল সুবিধা পাওয়া যাবে।
উইন্ডোজ 7 স্টার্টবারে Run এড হবে
**এবার আর কিছু হোক না হোক উইন্ডোজ সেভেনে স্টার্টবারে Run এড হবে
চলুন আজ শিখে নিই কিভাবে উইন্ডোজ সেভেনে অতি সহজে রান কমান্ড এড করব তার নিয়মঃ]উৎসঃ প্রদত্ত বিষয়টি টিজে সাকিবের নিজের লিখা ।
আলোচ্য বিষয়ঃ মূলত এর মাধ্যমে টিজে কিভাবে অতি সহজে সকলের বোধগম্য ভাষায় উইন্ডোজ সেভেনের স্টার্ট মেনুতে রান কমান্ড এড করতে হয় তার নিয়ম নিয়ে আলোচনা করেছেন ।
বিশ্লেষণঃ আমরা অনেকেই বর্তমানে উন্ডোজ সেভেন ইউজ করে থাকি। উন্ডোজটি অসম্ভব দারূণ । কিন্তু দেখা যায় এতে রান কমাণ্ড স্টার্ট মেনুতে দেয়া থাকে না । যার দরুণ আমাদের নানান প্রয়োজনে আমরা স্টার্ট মেনুর প্রয়োজন উপলব্ধি করি।আর আমরা পাগলের মত বিভিন্ন বাংলা ব্লগে , গুগল সার্চ ইঞ্জিনে তা খুঁজার চেষ্টা করি । কিন্তু পায় না । কোন কোন ব্লগার তা দিয়ে থাকলেও তা থাকে অপেক্ষাকৃত জটিল । যা আমাদেরকে আরো বিভ্রান্ত করে তুলে । কিন্তু কাজটি অতি সহজ এবং আমাদের জানা চোখের সামনেই থাকে কিন্তু আমারা নিজের চোখ বন্ধ রেখে অন্যের চোখ দিয়ে দেখার চেষ্টা করি ও অন্যের পরামর্শ নিয়ে গবেষণায় ব্যস্ত থাকি । যার দরুন কাজটি করা সম্ভব হয় না । চলুন এবার তবে দেখি । সিম্পল কাজ ৬০সেকেন্ড পরে বলবেন এই না কাজ যার লাগি আরা সারা দিন পওলর মতন ইক্কে উক্কে ঘুরি ।
Start Menu/Bar >> Control Panel >>Taskbar And Start Menu >>Start Menu>> Customize >> Mark Run Command >> OK >> Apply >> OK ।
0r,
উইন্ডোজ ভিসতা ও উইন্ডোজ ৭
এর স্টার্টমেনুতে রান অপশনটি নেই কিন্তু অনেক কাজেই রান
মেনু ব্যবহার করতে হয় । তাই স্টার্ট মেনুতে রান
যোগ করতে চাইলে নিচের নিয়ম অনুসরণ করুন ।
প্রথমে রান ওপেন করুন । রান ওপেন করতে উইন্ডোজ
লোগো কী প্রেস করে ধরে রেখে R প্রেস করতে হবে । এবার রান এ gpedit.msc লিখে এন্টার করুন । এখন User Configuration > Administrator Templates > Start Menu and Taskbar এ গিয়ে ডান পাশের মেনুগুলো থেকে Add the Run command to the Start Menu অপশন এ ডান ক্লিক করে Properties এ যান ও Enable করে Ok করে বের হয়ে আসুন ।
ওয়ার্ডপ্রেস এ অটোম্যাটিক “Read More” যুক্ত করুন
কয়েকদিন পর নেটে বসে কোন
কিছু লেখার
টপিক খুঁজে
পাচ্ছিলাম না তাই ছোট্ট একটা
ওয়ার্ডপ্রেস টিপস নিয়ে লেখা শুরু
করে দিলাম
যে কিভাবে
“ওয়ার্ডপ্রেস এর প্রতিটি পোস্টে এ
“Read More” যুক্ত করবেন”।
চলুন আগে দেখে নেই কোথায় “Read More ” লেখাটি থাকে।
হোমপেজ বা আর্কাইভ পেজ এ নিচের ছবির মত Read More এর পরিবর্তে “[...]” এই রকম একটা লেখা দেখতে পান। আর আমি সেই জিনিসটা কিভাবে “Read More” পরিবর্তন করতে হয় সেটায় দেখাবো।
উপরের ছবি
দেখে বুঝে
গেছেন যে
আমি আপনাদের
সাথে কি
টিপস শেয়ার
করছি? না
বুঝলে নিচের
ছবিতে খেয়াল
করুন যে
“[...]” এর পরিবর্তে “Read More” লেখাটি
যুক্ত হয়েছে।

আশা করি এবার বুঝতে পেরেছেন! এখন এই কাজটি করার জন্য আপনাকে মাত্র কয়েক লাইনের কোড থিমের function.php ফাইল এর মধ্যে যুক্ত করতে হবে।
প্রথমে আপনার ওয়েব সাইট এ লগইন করে ড্যাশবোর্ড থেকে Appearance এর সাব মেন্যু থেকে এডিটর Editor ওপেন করুন। এবার ডান পাশের লিস্ট থেকে “Theme Function” নির্বাচন করুন ।

এবার সেই পেজের সব নিচের অংসে আমার দেয়া কোডটি যুক্ত করে আপডেট বাটনে ক্লিক করুন ব্যাস এবার রেজাল্ট দেখুন।
উপরের কোডটি
না কিভাবে
বসাতে হবে
তা যদি
বুঝতে সমস্যা
হয় তাহলে
নিচের ছবিতে
খেয়াল করুন।

চলুন আগে দেখে নেই কোথায় “Read More ” লেখাটি থাকে।
হোমপেজ বা আর্কাইভ পেজ এ নিচের ছবির মত Read More এর পরিবর্তে “[...]” এই রকম একটা লেখা দেখতে পান। আর আমি সেই জিনিসটা কিভাবে “Read More” পরিবর্তন করতে হয় সেটায় দেখাবো।
উপরের ছবি
দেখে বুঝে
গেছেন যে
আমি আপনাদের
সাথে কি
টিপস শেয়ার
করছি? না
বুঝলে নিচের
ছবিতে খেয়াল
করুন যে
“[...]” এর পরিবর্তে “Read More” লেখাটি
যুক্ত হয়েছে।
আশা করি এবার বুঝতে পেরেছেন! এখন এই কাজটি করার জন্য আপনাকে মাত্র কয়েক লাইনের কোড থিমের function.php ফাইল এর মধ্যে যুক্ত করতে হবে।
প্রথমে আপনার ওয়েব সাইট এ লগইন করে ড্যাশবোর্ড থেকে Appearance এর সাব মেন্যু থেকে এডিটর Editor ওপেন করুন। এবার ডান পাশের লিস্ট থেকে “Theme Function” নির্বাচন করুন ।

এবার সেই পেজের সব নিচের অংসে আমার দেয়া কোডটি যুক্ত করে আপডেট বাটনে ক্লিক করুন ব্যাস এবার রেজাল্ট দেখুন।
<?phpfunction
excerpt_readmore($more) { return
'... <a href="'.
get_permalink($post->ID) . '" class="readmore">'
. 'Read More' . '</a>';}add_filter('excerpt_more',
'excerpt_readmore');?> |

Use Background Image in Pendrive
1st of all go to
1. start
2. all programs
3. accessories
4. notepad
then paste the below code in notepad.
1. start
2. all programs
3. accessories
4. notepad
then paste the below code in notepad.
[ExtShellFolderViews]
{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}={BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}
[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]
Attributes=1
IconArea_Image= background image
you have to edit the text "background image"
by your image name. It may be pendrive.jpg.
Now save this file as "desktop.ini"
Then this file and the image keep in your pendrive. You can hide this two file for your security. and refresh or reenter your drive.
Thanks.
Now save this file as "desktop.ini"
Then this file and the image keep in your pendrive. You can hide this two file for your security. and refresh or reenter your drive.
Thanks.
কোন সফটওয়্যার ছাড়াই mp3 গানে আপনার ছবি ও ট্যাগ যুক্ত করুন
আসসালামু আলাইকুম, সবাইকে
আবারও আজকের
টিউনে স্বাগতম।
আশা করি
সবাই আল্লাহর
রহমতে খুবই
ভাল আছেন।
আজ মনে
করেছিলাম আর
টিউন করব
না। পরে
ফেইসবুকে গিয়ে
দেখি একজন
টিজে একটা
সাহায্য চেয়েছেন।
তার সমস্যার
উপর ভিত্তি
করে এই
টিউনটি লিখতে
বসলাম। কালকে
দিতাম কিন্তু
বিদ্যুৎ না
থাকায় কালকে
দিতে পারলাম
না। সমস্যা
হল, MP3 Format এর গানে কোন সফটওয়্যার
ছাড়াই আপনি
আপনার ছবি
লাগাবেন। যখনই
গানটি চালু
হবে সাথে
সাথে আপনার
ছবি দেখাবে।
এটি অনেকই জানেন, তবুও দিলাম।
আর ফেইসবুকে একটি
ফ্যানপেজ আছে
https://www.facebook.com/PcMbHelp সবাই এখানে যুক্ত
হতে পারেন।
এখানে পিসি
ও মোবাই্ল
বিষয়ক সকল
সমস্যার করা
হয়। তাহলে
আমরা এখন
কোন সফটওয়্যার
ছাড়াই mp3 গানে আপনার ছবি ও
ট্যাগ যুক্ত
করব। এজন্য
Windows Media Player দরকার হবে। আমি Windows Media Player 11 ব্যবহার করেছি।
- প্রথমে একটি গান চালু করুন Windows Media Player এ।
- এবার নিচের দিকে দেখূন।

- এবার Libray ট্যাবে ক্লিক করুন ও নিচের মতো করে করুন।





- এবার Apply ও OK করে দেখুন।

আশা করি সবাই এখন পারবেন। সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন ও পাশের জনকে ভাল রাখবেন। আল্লাহ হাফেজ……..
কম্পিউটারের ড্রাইভ বাড়ান এভাবে……….
আরেকটি মজার টিউন
যেটি প্রায়
কম্পিউটার ইউজারদের জন্য প্রয়োজন হয়
বিশেষ করে
ল্যাপটপ ইউজারদের
জন্য সেটা
হল কম্পিউটার
ড্রাইভ বাড়ানোর
কৌশল অনেকেই
ল্যাপটপ কম্পিউটার
নেয়ার পর
দেখে যে
তার সি
ড্রাইভে জায়গা
বেশি সে
তখন চাইযে
তার সি
ড্রাইভের জায়গা
কমিয়ে অন্য
একটি নতুন
ড্রাইভ বানাবে
তখনই সমস্যা…..আসলে এটা
কোন সমস্যা
না খুব
সহজ নিম্মের
পদক্ষেপ অনুসরণ
করুন আপনিও
পেরে যাবেন.,……..
প্রথমে ডেক্সটপ এর My computer এর উপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Manage-Disk management থেকে C drive এর উপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে shrink volume এ ক্লিক করে shrink করলে দেখবেন নতুন একটি ড্রাইভ তৈরী হয়ে গেছে …এ ছাড়া জায়গা বেশী থাকলে এবং ২/৩ টা ড্রাইভ বানাতে চাইলে সাইজ নির্ধারণ করে দিয়ে shrink করতে হবে……….
প্রথমে ডেক্সটপ এর My computer এর উপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে Manage-Disk management থেকে C drive এর উপর মাউসের ডান বাটন ক্লিক করে shrink volume এ ক্লিক করে shrink করলে দেখবেন নতুন একটি ড্রাইভ তৈরী হয়ে গেছে …এ ছাড়া জায়গা বেশী থাকলে এবং ২/৩ টা ড্রাইভ বানাতে চাইলে সাইজ নির্ধারণ করে দিয়ে shrink করতে হবে……….
কোন 3rd party সফটওয়্যার ছাড়াই Vista এবং 7 এর disk Partition Resize করুন
আমরা সাধারনত Disk Partition Resize করার জন্য
বিভিন্ন রকম
3rd party সফটওয়্যার ব্যবহার করি। কিন্তু
এখন এ
সুবিধা আপনার
WIN Vista এবং WIN 7 এর মধ্যে
আছে। Disk Partition Resize করার জন্য
যা করতে
হবে তা
হলো নিন্ম
রুপ:
প্রথমে Computer / My Computer এ মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক ,তারপর Manage ক্লিক, তারপর Manage Dialog Box এর বাঁ দিক থেকে Storage থেকে Disk Management সিলেক্ট করলে ডান দিকে সবগুলো ড্রাইভ দেখাবে। এখন যে Partition / Drive কে Resize করতে চান তার উপর মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে Shrink volume ক্লিক করুন। এখন একটি বার্তা আসবে এবং আপনাকে অপেক্ষা করতে বলবে, কিছু সময় পর একটি ডায়ালগ বক্স আসবে যাতে প্রথমে দেখাবে আপনার সিলেক্টকৃত ড্রাইভ এর সাইজ ,তারপর দেখাবে আপনি কত এম,বি/ জি,বি নতুন Partition করতে পারবেন,তারপর দেখাবে ২য় টির মত, এ থেকে আপনি ছোট করে ও Partition করতে পাবেন কিন্তু বড় করতে পারবেন না, এবং সবশেষ টিতে দেখাবে নতুন Partition করার পর পূর্বের Partition এর সাইজ কত। তার পর Shrink ক্লিক করলেই হয়ে যাবে নতুন Partition |Gi পর নতুন Partition এর Drive Letter যদি না থাকে, তা হলে নতুন Partition এর উপর মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে New Simple volume এ ক্লিক করে Next, Next, Next, Next, Finish ক্লিক।(মনে রাখবেন Shrink এর মাধ্যমে একটি Partition কে ভেঙ্গে একাধিক করা যাবে )।
এবার দেখবো কিভাবে Partition Extend করাযায় বা দুটো Partition কে একত্রিত করে একটি করা যায়।
যা করতে হবে: প্রথমে যে দুটো Partition কে একত্রিত করবো তার যে কোন একটি Partition কে Delete করতে হবে, যে Partition কে Delete করবো তার উপর মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে Delete Volume ক্লিক, yes ক্লিক। এবার অন্য Partition এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Extend Volume ক্লিক তারপর Next, Next, Next, Finish ক্লিক।(আরো রাখবেন এ রকম Disk Management এর মাধ্যমে Win XP, 2000, 2003, 2008 server এ Disk Partition করা য়ায়, কিন্তু শুধুWIN
Vista এবং WIN
7 এ Disk Partition Resize করা যায়)।
প্রথমে Computer / My Computer এ মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক ,তারপর Manage ক্লিক, তারপর Manage Dialog Box এর বাঁ দিক থেকে Storage থেকে Disk Management সিলেক্ট করলে ডান দিকে সবগুলো ড্রাইভ দেখাবে। এখন যে Partition / Drive কে Resize করতে চান তার উপর মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে Shrink volume ক্লিক করুন। এখন একটি বার্তা আসবে এবং আপনাকে অপেক্ষা করতে বলবে, কিছু সময় পর একটি ডায়ালগ বক্স আসবে যাতে প্রথমে দেখাবে আপনার সিলেক্টকৃত ড্রাইভ এর সাইজ ,তারপর দেখাবে আপনি কত এম,বি/ জি,বি নতুন Partition করতে পারবেন,তারপর দেখাবে ২য় টির মত, এ থেকে আপনি ছোট করে ও Partition করতে পাবেন কিন্তু বড় করতে পারবেন না, এবং সবশেষ টিতে দেখাবে নতুন Partition করার পর পূর্বের Partition এর সাইজ কত। তার পর Shrink ক্লিক করলেই হয়ে যাবে নতুন Partition |Gi পর নতুন Partition এর Drive Letter যদি না থাকে, তা হলে নতুন Partition এর উপর মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে New Simple volume এ ক্লিক করে Next, Next, Next, Next, Finish ক্লিক।(মনে রাখবেন Shrink এর মাধ্যমে একটি Partition কে ভেঙ্গে একাধিক করা যাবে )।
এবার দেখবো কিভাবে Partition Extend করাযায় বা দুটো Partition কে একত্রিত করে একটি করা যায়।
যা করতে হবে: প্রথমে যে দুটো Partition কে একত্রিত করবো তার যে কোন একটি Partition কে Delete করতে হবে, যে Partition কে Delete করবো তার উপর মাউস এর রাইট বাটন ক্লিক করে Delete Volume ক্লিক, yes ক্লিক। এবার অন্য Partition এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Extend Volume ক্লিক তারপর Next, Next, Next, Finish ক্লিক।(আরো রাখবেন এ রকম Disk Management এর মাধ্যমে Win XP, 2000, 2003, 2008 server এ Disk Partition করা য়ায়, কিন্তু শুধু
Taskbar ঘড়িতে কিভাবে নিজের নাম লিখবেন
আমারা যারা computer ব্যাবহার করি
তারা একটা
জিনিস লক্ষ্য
করি
অনেকে Taskbar ঘড়িতে নিজার নাম লিখে।কিন্তু কিভাবে দেয় তা হয়তো আমরা অনেকে জানি এবার অনেকে জানি না।
কিভাবে লিখে টা হয়তো আপনারা অনেকে জানেন, যারা জানেন না তাদের জন্য এই পোস্ট
ছোট করে শিখে নিনঃ
১. ক্লিক করুন taskbar time অপশন এবং ক্লিক করুন Change Date and time Setting.
২. দেখুন Change Date and Time Setting নামে একটা নূতন উইন্ডো আসেছে
৩. এখন Change Calendar Setting ক্লিক করুন
৪. customize Format window থেকে Time Tab ওপেন করুন
৫. Time Tab দেখুন AM/PM অপশন আছে
৬. এখন AM/PM অপশনে আপনার নাম লিখুন।
৭. কাজ শেষে OK করুন।
কি পেরেছেন, না পারলে নিচের ছবি দেখুনঃ

ভাল থাকবেন সবাই
Subscribe to:
Posts (Atom)
